সর্বশেষ

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির আসনে আলোচনায় মেয়ে বুবলী রাব্বি

/ গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন /

প্রকাশ :


২৪খবরবিডি: 'জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে শূন্য হয়েছে গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) সংসদীয় আসন। এরই মধ্যে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়।'

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আগামী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আসনটিতে। এখন কে হচ্ছেন ফজলে রাব্বি মিয়ার উত্তরসূরি, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। দৌড়ঝাঁপও শুরু করে দিয়েছেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা। মূলত চারজনের নাম শোনা গেলেও বাবা ফজলে রাব্বির আসনে যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর মেয়ে ফারজানা রাব্বি বুবলীই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী চারজন। তারা হলেন- সদ্য প্রয়াত ফজলে রাব্বি মিয়ার মেয়ে ফারজানা রাব্বি বুবলী, ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পারভেজ, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুশীল চন্দ্র সরকার।


-এ ছাড়াও ২ /৩ জন রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, ফারজানা রাব্বী বুবলী ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে তিনি ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বুবলী ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসনে তাঁর বাবা ফজলে রাব্বি মিয়ার প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর স্বামী সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার। গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য ঘোষণার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বুবলীকে বাবার আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে পেতে দাবি তুলছেন তরুণ সমাজ। বর্তমানে পুরো নির্বাচনী আসনজুড়ে রয়েছে তাঁর পোস্টার ও ব্যানার। জানতে চাইলে মনোনয়নপ্রত্যাশী ফারজানা রাব্বি বুবলী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমার বাবার শেষ ইচ্ছা ছিল আমি যেন এ আসন থেকে নির্বাচন করি। বাবা দীর্ঘদিন এই এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকার নানা উন্নয়ন করেছেন। আমি চাই তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী উপনির্বাচনে অংশ নিতে। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে ও নির্বাচিত হলে বাবার স্মৃতিকে ধরে রাখতে এলাকায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব।
 

তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকতে অতীতেও ছিলাম। বর্তমানেও আছি। ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। ফারজানা বুবলী আরও বলেন, প্রায় দুই যুগ ধরে বাবা ফজলে রাব্বির সার্বক্ষণিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে কাজ করেছি।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বির আসনে আলোচনায় মেয়ে বুবলী রাব্বি
বাবার অনেক কাজ এখনো অসমাপ্ত রয়ে গেছে। সে কাজগুলো সমাপ্ত করতে পারলে বাবার আত্মা শান্তি পাবে। ফুলছড়ি উপজেলায় আমার শ্বশুরবাড়ি এবং সাঘাটা উপজেলায় বাবার বাড়ি হওয়ার সুবাদে প্রায় ৪০ হাজার আত্মীয়স্বজন ভোটার রয়েছেন, যাদের অধিকাংশ কোনো ধরনের পদ-পদবিতে না থাকা সত্ত্বেও চোখ বুজে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।


'বঙ্গবন্ধুকন্যার নির্দেশে আমৃত্যু সততার সঙ্গে কাজ করেছেন আমার বাবা। আমি আমার বাবার অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে চাই। উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-৫ আসনের সাত বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া গত ২২ জুলাই নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে পিতা-মাতা, স্ত্রী, সন্তান-নাতির কবরের পাশে দাফন করা হয় তাঁকে।'

Share

আরো খবর


সর্বাধিক পঠিত